খান ইউনিসে অন্তত ২০০ মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গাজার খান ইউনিস অঞ্চলের আল নাসের হাসপাতাল চত্বর থেকে ১৮০টি মরদেহ উদ্ধার করেছে ফিলিস্তিনি নাগরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী।

শনিবার (২০ এপ্রিল) এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ খান ইউনিস থেকে জানিয়েছেন, হাসপাতালের আঙিনা থেকে ১৮০টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী ও চিকিৎসাকর্মীরা।

নিহতদের সবাইকে গণকবর দিয়েছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মরদেহগুলোর মধ্যে বয়স্ক মহিলা, শিশু ও যুবক রয়েছেন।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল দক্ষিণ গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পর গত শনিবার থেকে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যা এখনও চলছে।

জানা গেছে, মাসের পর মাস ইসরায়েলের ভারী বোমা বর্ষণে খান ইউনিস এলাকার অধিকাংশ জায়গা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এদিকে, আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজায় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে অবিরত বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী।

দুই সপ্তাহের অবরোধের পর কয়েকদিন আগে আল-শিফা হাসপাতাল চত্বরে একটি গণকবর আবিষ্কার করা হয়েছিল। গাজার কয়েকটি গণকবরের মধ্যে এটি একটি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭৬ হাজার ৯৮০ জন।

নিহতদের মধ্যে অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ শিশু ও নারী রয়েছেন। প্রকৃত নিহতের সংখ্যা সম্ভবত আরও বেশি। কারণ ইসরায়েলি বিমান হামলায় অনেক মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

খান ইউনিসে অন্তত ২০০ মরদেহ উদ্ধার

আপলোডের সময় : 03:45:44 pm, Sunday, 21 April 2024

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গাজার খান ইউনিস অঞ্চলের আল নাসের হাসপাতাল চত্বর থেকে ১৮০টি মরদেহ উদ্ধার করেছে ফিলিস্তিনি নাগরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী।

শনিবার (২০ এপ্রিল) এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ খান ইউনিস থেকে জানিয়েছেন, হাসপাতালের আঙিনা থেকে ১৮০টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী ও চিকিৎসাকর্মীরা।

নিহতদের সবাইকে গণকবর দিয়েছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মরদেহগুলোর মধ্যে বয়স্ক মহিলা, শিশু ও যুবক রয়েছেন।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল দক্ষিণ গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পর গত শনিবার থেকে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যা এখনও চলছে।

জানা গেছে, মাসের পর মাস ইসরায়েলের ভারী বোমা বর্ষণে খান ইউনিস এলাকার অধিকাংশ জায়গা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এদিকে, আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজায় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে অবিরত বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী।

দুই সপ্তাহের অবরোধের পর কয়েকদিন আগে আল-শিফা হাসপাতাল চত্বরে একটি গণকবর আবিষ্কার করা হয়েছিল। গাজার কয়েকটি গণকবরের মধ্যে এটি একটি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭৬ হাজার ৯৮০ জন।

নিহতদের মধ্যে অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ শিশু ও নারী রয়েছেন। প্রকৃত নিহতের সংখ্যা সম্ভবত আরও বেশি। কারণ ইসরায়েলি বিমান হামলায় অনেক মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন।