নীলফামারীতে সাংবাদিককে হত্যার হুমকী সংবাদ সম্মেলন 

মোঃ খলিলুর রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পূর্ব গোলমুন্ডা গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মৃত্যু মকবুল হোসেনের ছেলে এমদাদুল হক সাংবাদিককে বিভিন্ন হুমকী ধামকী জোর পূর্বক জমি লিখে নেওয়া ও হত্যার চেষ্টা করেন সন্ত্রাসী বাহিনী।

এমদাদুল হক সঠিক বিচারের দাবীতে নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একজন সাংবাদিক তিস্তা টিভি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের জলঢাকা উপজেলার সভাপতি। আমি সুনামের সহিত দীর্ঘদিন যাবত পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছি। নেকবক্ত তেতুলতলার আব্দুস সোবাহানের ছেলে সন্ত্রাসী তহিদুল ইসলাম জলঢাকা শহড়ে আমার ০৬ শতক জমি রয়েছে সেটি লিখে নেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্নভাবে মানষীক চাপ ও হুমকী দেন। আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে গত ১০ই জানুয়ারী বিকাল ৩ ঘটিকায় সন্ত্রাসী তহিদুল ইসলাম ও তার সাথে থাকা ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী আমাকে রাস্তায় আটক করে জোর পূর্বক ৩টি ফাঁকা ষ্টাম্পে ও ০৩টি ব্যাংকের চেকে স্বাক্ষর নেন। তারা বলেন জমি লিখে না দিলে তোকে বিভিন্ন মামলায় জরিয়ে হয়রানি করবো। আমি ৩১শে জানুয়ারী কোর্টে মামলা করি। মামলা নং-২১/২০২৪। মামলা করার পর থেকে আসামীগন অপরিচিত নম্বর থেকে আমাকে বিভিন্ন হুমকী দিচ্ছেন। আমি এখন পরিবার পরিজন নিয়ে ও পেশাগত কাজ করতে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। বর্তমানে আমি সন্ত্রাসী তহিদুল ইসলামের ভয়ে জলঢাকায় প্রবেশ করতে পারছিনা। আমি স্ত্রী সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি এখন প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচারের দাবী করছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

নীলফামারীতে সাংবাদিককে হত্যার হুমকী সংবাদ সম্মেলন 

আপলোডের সময় : 11:56:57 am, Friday, 2 February 2024

মোঃ খলিলুর রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পূর্ব গোলমুন্ডা গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মৃত্যু মকবুল হোসেনের ছেলে এমদাদুল হক সাংবাদিককে বিভিন্ন হুমকী ধামকী জোর পূর্বক জমি লিখে নেওয়া ও হত্যার চেষ্টা করেন সন্ত্রাসী বাহিনী।

এমদাদুল হক সঠিক বিচারের দাবীতে নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একজন সাংবাদিক তিস্তা টিভি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের জলঢাকা উপজেলার সভাপতি। আমি সুনামের সহিত দীর্ঘদিন যাবত পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছি। নেকবক্ত তেতুলতলার আব্দুস সোবাহানের ছেলে সন্ত্রাসী তহিদুল ইসলাম জলঢাকা শহড়ে আমার ০৬ শতক জমি রয়েছে সেটি লিখে নেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্নভাবে মানষীক চাপ ও হুমকী দেন। আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে গত ১০ই জানুয়ারী বিকাল ৩ ঘটিকায় সন্ত্রাসী তহিদুল ইসলাম ও তার সাথে থাকা ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী আমাকে রাস্তায় আটক করে জোর পূর্বক ৩টি ফাঁকা ষ্টাম্পে ও ০৩টি ব্যাংকের চেকে স্বাক্ষর নেন। তারা বলেন জমি লিখে না দিলে তোকে বিভিন্ন মামলায় জরিয়ে হয়রানি করবো। আমি ৩১শে জানুয়ারী কোর্টে মামলা করি। মামলা নং-২১/২০২৪। মামলা করার পর থেকে আসামীগন অপরিচিত নম্বর থেকে আমাকে বিভিন্ন হুমকী দিচ্ছেন। আমি এখন পরিবার পরিজন নিয়ে ও পেশাগত কাজ করতে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। বর্তমানে আমি সন্ত্রাসী তহিদুল ইসলামের ভয়ে জলঢাকায় প্রবেশ করতে পারছিনা। আমি স্ত্রী সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি এখন প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচারের দাবী করছি।