
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১.৩০ ঘটিকায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া এলাকায় আকালিপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এর আগে সকালে ওই চিতা বাঘের আক্রমণে শিশুসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়।
আহতরা হলেন মাগুড়া ইউনিয়নের আকালীবেচা পাড়ায় বুদুু মিয়ার ছেলে বুলেট মিয়া, মকবুল হোসেনের ছেলে ফেরদৌস আলম এবং ছকমাল হোসেনের ছেলে নায়েব আলী ও মাগুড়া উত্তর পাড়া গ্রারামের চাঁন মিয়ার শিশু সন্তান জান্নাতুল।
এলাবাসী দেখতে পায় সকাল ১১টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর তিস্তা সেচ ক্যানেলের সেতু সংলগ্ন একটি গাছে চিতা বাঘটিকে দেখে শিশুরা চিৎকার করিতে থাকে বাঘ বাঘ বলে । তাদের চিৎকারে এলাকার লোকজন বাঘ দেখার জন্য ভিড় জমায়। পরে প্রশাসনের মাধ্যমে বন বিভাগকে খবর দেওয়া হয়। বন বিভাগ থেকে লোকজন আসার আগেই বাঘটি তাৎক্ষনিক গাছ থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে নেমে শিশুসহ- চারজনকে আক্রমণ করে। পরে স্থানীয় লোকজন এসে বাঘটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এরপর তারা মৃত বাঘটিকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। বাঘটিকে এক নজর দেখার জন্য হাজার হাজার উৎসুক জনতার ভিড় জমে উঠে।
মাগুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু বলেন, বনবিভাগের লোকজন এসে মৃত বাঘটিকে নিয়ে গেছেন। বাঘের আক্রমণে আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলার বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, সকালে স্থানীয়রা মোবাইলে ফোনে যোগায়োগ করলে জানতে পাই এবং আমরা ঘটনাস্থানে যাই। যেয়ে দেখতে পাই স্থানীয়রা চিতাবাঘকটিকে মেরে ফেলেছে।
রংপুর বনবিভাগের বন্যপ্রণী ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা স্মৃতি সিংহ রায় বলেন, আমাদের লোকজন সেখানে অবস্থান করছেন।